• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডিমলা থানা এখন মৃত্যুফাঁদ: ঝুঁকিতে পুলিশ সদস্যরা

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর ডিমলা থানা ভবনটি বর্তমানে ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। পুরনো ও জরাজীর্ণ এই ভবনটিকে স্থানীয়রা বলছেন ‘মৃত্যুফাঁদ’। যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। তবুও প্রতিদিন এখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন থানায় কর্মরত ৬৬ জন বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্য।

সরেজমিনে দেখা যায়, থানা ভবনের দ্বিতীয় তলার ছাদ থেকে নিয়মিত খসে পড়ছে পলেস্তারা। দেয়ালজুড়ে দেখা দিয়েছে গভীর ফাটল, দেখা যাচ্ছে মরিচা ধরা রড। প্রতিদিনই বাড়ছে ঝুঁকির মাত্রা। দ্বিতীয় তলায় থাকা ব্যারাকে প্রতিরাতে অবস্থান করছেন অন্তত ৪৮ জন পুলিশ সদস্য। কেউ জানেন না, কখন মাথার ওপরের ছাদ ভেঙে প্রাণ কেড়ে নেবে। এ থানায় কর্মরত রয়েছেন ওসি, ইন্সপেক্টর (তদন্ত), ১২ জন এসআই, ৭ জন এএসআই এবং ৩৯ জন কনস্টেবলসহ মোট ৬৬ জন পুলিশ সদস্য। জরাজীর্ণ ভবনটিতে রয়েছে অস্ত্রাগার, হাজতখানা ও মালখানাও। ফলে শুধু কর্মরত সদস্যরাই নন, ঝুঁকিতে আছেন থানায় আটক বন্দীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ সদস্য জানান, এখানে কাজ করতে এসে প্রতিদিন আতঙ্কে থাকি। ভূমিকম্প বা ঝড়বৃষ্টি হলে এই ভবন ধসে পড়বে। এই ভয়টা মাথায় রেখেই ডিউটি করতে হয়। এতে করে আমাদের মনোবলও দুর্বল হয়ে পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রাও।

তারা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান ঘাঁটিই যদি এতটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপদ থাকবে? স্থানীয় যুবক আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৩) জানান, থানার ভবনটি নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বিগ্ন। এটি যেন এখন শুধু ধসে পড়ার অপেক্ষায় রয়েছে। পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা দরকার।

এ ব্যাপারে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফজলে এলাহী জানান, ভবনটির অবস্থা ভয়াবহ। ছাদ, দেয়াল ও রডের অবস্থা দেখে মনে হয়, যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে নীলফামারীর পুলিশ সুপার এ.এফ.এম তারিক হোসেন খান জানান, আমরা বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। থানার নতুন ভবনের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। আশা করি, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ